ভাল জিনিষ ঠাকুরকে বেশী করিয়া দিতে হয়। ঠাকুর বুঝাইয়া দিলেন যে ঠাকুরকে বেশী করিয়া ভোগ দিলে ভক্তেরা বেশী করিয়া প্রসাদ পাইতে পারে। ইহার পর আরো কয়েকবার ঠাকুর দর্শন পাইলাম। আমি এবং আমার স্বামী ঠাকুরের সান্নিধ্য লাভ করার পূর্বে উভয়েই আমাদের কুলগুরু হইতে দীক্ষা নিয়াছিলাম এবং শুনিয়াছিলাম যে একবার দীক্ষা নিলে পুনরায় দীক্ষা নেওয়া যায় না। সুতরাং নির্জনে ঠাকুরকে এই কথা জিজ্ঞাসা করার জন্য সুযোগ খুঁজিতেছিলাম এবং পরম দয়াল শ্রীশ্রীঠাকুর আমাকে সেই সুযোগ মিলাইয়া দিলেন। এখন হইতে প্রায় ৩০/৩৫ বৎসর পূর্ব্বেকার কথা। ঠাকুর তখন চাঁদপুর সাবরেজিস্ট্রার শ্রীযুক্ত জিতেন্দ্র কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ীতে আছেন। সংবাদ পাইয়া আমার স্বামী ঠাকুর দর্শনাভিলাষে চাঁদপুর রওনা হইয়া গেলেন। আমার ছোট ছেলে তখন অসুস্থ ছিল বলিয়া আমি যাইতে পারি নাই। ৩/৪ দিন পরে আমার স্বামী চিঠি লিখিলেন যে শ্রীশ্রীঠাকুর ২/১ দিনের মধ্যেই ঢাকা চলিয়া যাইবেন। কিন্তু আমি শুনিলাম যে, ঠাকুর ঢাকা যান নাই চাঁদপরেই আছেন। কথাটা শুনিবামাত্রই আমি চাঁদপুর রওনা হইলাম ও তথায় পৌঁছিয়া আমার স্বামীর সঙ্গে একত্র হইয়া জিতেন বাবুর বাসায়
শতবার্ষিকী স্মারক গ্রন্থ
চলমান অংশ ২৩২,,,,,।
.jpg)
No comments: